শিক্ষার্থী,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭৯ সাল। ইরানে ঘটে যায় যুগান্তকারী এক বিপ্লব।যে বিপ্লব ইরানকে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলাভীর একনায়কতন্ত্র শাসন থেকে বের করে এনে আয়াতুল্লাহ খামেনির ইসলামিক গণতান্ত্রিক দেশে পরিণত করে।যে বিপ্লব ইরানকে পাশ্চাত্যপন্থী সরকারের কবল থেকে রক্ষা করে ইসলামী গন্তন্ত্রের দেশ উপহার দেয়।অনেকেই এই বিপ্লবকে ফরাসি এবং বলশেভিক বিপ্লবের পর ইতিহাসের তৃতীয় মহান বিপ্লব বলে আখ্যায়িত করেন।
বর্তমান ইরান প্রাচীনকালে পারস্য নামে পরিচিত ছিল। ১৫০১ থেকে ১৭৩৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত পারস্যপ্রদেশে শাষনকার্য চালাত শতভিদ বংশের শাসকগণ। এই সাম্রাজ্যের শাসনকালে শিয়া-মুসলিম ধর্ম পারস্যের প্রধান ধর্মে পরিগণিত হয়। শতভিদ সাম্রাজ্রের পতনের পরে সামান্য সময়ের ব্যবধানে কাজার সাম্রাজ্যের শাসনকাল শুরু হয়। ১৭৮৫ থেকে ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত শাসনকার্য চালানো এই সাম্রাজ্যের অধীনে পারস্যপ্রদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে,যেমন পারস্যের নাম পরিবর্তিত হয়ে ইরান নাম হয় এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্পন করা হয় উলেমা নামক একশ্রেনির ধর্ম প্রবর্তকের হাতে। কাজার সাম্রাজ্যের পরে ইরানের শাসনভার আসে পাহলভি সাম্রাজ্যের হাতে।
১ম বিশ্বযুদ্ধের পরপর ইরানের ভূখণ্ডে প্রচুর তেল সম্পদ আবিষ্কার হয়। যা পরবর্তীতে ইরানের প্রধান সম্পদের একটিতে গিয়ে দাড়ায়। ইরানের ভূখণ্ডের এত এত তেল সম্পদ আবিষ্কারের মূলে ছিল ব্রিটিশ বিভিন্ন কোম্পানি। যার ফলে যত তেলের খনি আবিষ্কার হয়েছে, তার অধিকাংশের মালিকানা ব্রিটিশদের হাতে ছিল।
ব্রিটিশ মদদপুস্ট রেজা শাহ ক্ষমতার লোভে ইরানের তেলভান্ডার ইংরেজদের হাতে সঁপে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেনি। রেজা শাহ তার শাসনকালে ইরানে শিয়া সম্প্রদায়ের ক্ষমতা হ্রাস করে এবং ধর্মনিরপেক্ষ ইরান গড়ে তোলার চেষ্টা করে। সার্বভৌম শাসক হয়ে ওঠা রেজা শাহ উলেমাবর্গের (ধর্মীয় গুরু) সর্ম্থন হারায়। যাইহোক ১৯৪১ সাল নাগাদ রেজা শাহের নিধন ঘটে এবং তারই ২২বছরের পুত্র মহম্মদ রেজা শাহ ব্রিটিশ মদতপুষ্ট হয়ে রাজা হয়। মহম্মদ রেজা শাহ তার পিতার থেকেও অনেক বেশি মাত্রায় ক্ষমতালোভী। মহম্মদ রেজা শাহের শাসন কালে ইরানে ধর্মীয় গুরুত্ব বিশেষ ভাবে হ্রাস পায় এবং পাশ্চাত্য সভ্যতার প্রভাব দেখা যায় বহুলাংশেই। শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিক হয়ে ওঠে,নারী স্বাধীনতা বৃদ্ধি পায়,পাশ্চাত্য সভ্যতার আদলে স্থাপত্য গড়ে ওঠে। এছাড়াও অনেক অর্থনৈতিক সংস্কার হয়।কিন্তু এতে সমগ্র জাতির কিন্তু সেরকম কোন উন্নতি দেখা যায়নি। এর প্রধান কারন ছিল দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। মহম্মদ রেজা শাহ ছিল অত্যন্ত ক্ষমতালোভী। তার আমলে সংঘটিত সমাজ সংস্কারগুলি ছিল মুলত পশ্চিমা সংস্কৃতির আদলে।
এমন সময়ে ইরানে জনপ্রিয় এক রাজনৈতিক নেতার আবির্ভাব ঘটে। মোসাদ্দেক হোসেন। মোসাদ্দেক রেজা শাহের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে চেষ্টা করেন। মোসাদ্দেকের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল তেল সম্পদ জাতীয়করণের। এমন জাতীয়তাবাদী ভাবধারা ইরানি জনগণকে খুব দ্রুত আকর্ষণ করে। ফলে পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে মোসাদ্দেক হোসেন।
১৯৫১ সালে ইরানের নবনির্বাচিত প্রধান মন্ত্রী মোহম্মদ মোসাদ্দেক বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসে।
মোসাদ্দেকের জয়ের ফলে হুমকির মুখে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ইরান থেকে স্বল্প দামে তেল আমদানি। মোসাদ্দেকের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইরানের তেল সম্পদ জাতীয়করণ করলে তেল রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যকে প্রচুর অর্থ গুনতে হবে। তাই মোসাদ্দেকের এ জয় কোনভাবেই মেনে নিতে পারেনি তৎকালীন ক্ষমতাশালী যুক্তরাজ্যের উইন্সটন চার্চিল ও যুক্তরাষ্ট্রের হেনরি ট্রুম্যান। তাদের উদ্যোগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা CIA ও ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা SIS অপারেশন ‘এজক্স’ নামে একটি সেনা বিপ্লবের নীল নকশা তৈরি করে।
যার ফলশ্রুতিতে কয়েকদিনের মধ্যেই ইরানে এক সেনা অভ্যুত্থান ঘটে। সেনাপতি ফজলুল্লাহ জাহেদী মোসাদ্দেক কে পদত্যাগ করিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। তখনো মূল শাসন ক্ষমতা ইরানের রাষ্ট্রপ্রধান রেজা শাহ পাহলভীর হাতে। মোসাদ্দেক কে আটক করা হয়। ইরানের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন একরকম স্থগিত হয়ে যাচ্ছিলো তখনই।
ঠিক সেই মুহূর্তে, সেনা অভ্যুত্থানের পরদিনই সেনাবাহিনীতে আরেকটি কাউন্টার অভ্যুত্থান করে মোসাদ্দেক কে উদ্ধার করা হয়। রেজা শাহ পাহলভী তখন ইতালিতে পালিয়ে যায়।
তখনো CIA ও SIS এর পরিকল্পনা অনুযায়ী আবারো উত্থানের চেষ্টা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। দু’দিন পর আবারো সেনাবাহিনীতে বিপরীত অভ্যুত্থান ঘটাতে সক্ষম হয় CIA ও SIS। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সহায়তায় শাহ পাহলভী আবার ফিরে আসে ইরানে। এভাবে ইরানের পার্লামেন্টারি নিয়মে দেশের সম্পদ জাতীয়করণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সহযোগিতায় শাহ পাহলভীর শাসন আবারো সুদৃঢ় হয়।
ইরানের তেল সম্পদ জাতীয়করণের প্রচেষ্টা করায় মোসাদ্দেকের উত্থান ব্যর্থ করে দিয়ে শাহ পাহলভী আবারো পশ্চিমা প্রভুদের মদদে ক্ষমতায় বসে।কিন্তু জনসমর্থন না থাকায় ক্ষমতা নড়বড়ে হয়ে যায় তার।তাই শাহ এবার ইরানের উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে ইরানে শাহ বংশের প্রভাব প্রতিপত্তি আবারো বাড়াতে চেষ্টা করেন। কিন্তু শাহ পুরোপুরি ভাবে হয়ে উঠেছিলেন পশ্চিমা সংস্কৃতি ভাবধারার। সেসময় ইরানে ধীরে ধীরে পশ্চিমা সংস্কৃতি, আচার আচরণ, অভ্যাস এসব প্রভাব ফেলতে শুরু করে। মুসলিম ভাবধারার ইরানে যা হয়ে উঠেছিলো বিভীষিকাময়।
দেশে ক্রমাগত পশ্চিমি সভ্যতার বাড়বাড়ন্ত,বিশেষ করে নারীশিক্ষা,নারীস্বাধীনতা,নৈশ্যক্লাব,পোশাক-পরিচ্ছদ-আচার ব্যবহারে অমুসলিমী আধিপত্য ইত্যাদি বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান উলামাদের ক্ষোভের কারন হয়ে ওঠে। ১৯৬৩ সালে ‘আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি রেজা শাহের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে এবং শাহের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করতে সফল হয়।শাহের বিরুদ্ধে প্রধান বিরোধী মুখ হয়ে ওঠা খোমেইনি শাহ-কে পশ্চিমি প্রভুদের পুতুল বলে আখ্যায়িত করেন। এর পরেই খোমেইনি বন্দি হয় এবং পরে তাকে ইরান থেকে বিতাড়িত করা হয়। বিতাড়িত খোমেইনি ইরান থেকে পালিয়ে প্রথমে ইরাক এবং পরে প্যারিসে আত্মগোপন করে।
এদিকে রেজা শাহ পাহলভী ও তাদের পরিবারের পশ্চিমা সংস্কৃতি চর্চার এই ধারা ধর্মপ্রান মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে ব্যাপক আঘাত হানে।তারা সবসময় পশ্চিমা ভাবধারার পোশাক পরে চলাফেরা করতেন। পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় সকল ধরণের অনুষ্ঠানে পশ্চিমা নিয়মনীতি ব্যাবহার করা শুরু হলে মুসলমানরা তার প্রতিবাদ করতে আবার রাস্তায় ফিরে আসে শাহ পাহলভীর বিরুদ্ধে।
১৯৭৯ সালে ইরানের মুসলিম বিপ্লবের অন্যতম কারণ মূলত ইরানে এই পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাব। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন হয়ে উঠে পশ্চিমা সংস্কৃতির বিরুদ্ধে মুসলিম ধর্মীয় সংস্কৃতি রক্ষার আন্দোলন।
দীর্ঘ পনের বছর নির্বাসনে থাকার পর খোমেনী ও আবার ইরানে ফিরে আসেন শাহ পাহলভীর বিরুদ্ধে বিপ্লবের ডাক দিয়ে।রেজা শাহ পাহলভী ভাবতেই পারেনি বিপ্লব এমন আকার ধারণ করতে পারে। আয়াতুল্লাহ খোমেনী নির্বাসন থেকে ফিরে আসেন ৮ সেপ্টেম্বর। দিনটি ছিল শুক্রবার। জুমার নামাজের পর তেহরানে একত্রিত হয় প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লক্ষ মানুষ। খোমেনী শিয়া মতাবলম্বী হলেও এই সমাবেশে শিয়া সুন্নি সকলে শাহ এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে আয়াতুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে জড়ো হয় ইরানের তেহরানে। পাহলভী দিশেহারা হয়ে পড়ে। বিশাল জনসমাবেশ কে প্রতিহত করতে শাহ পাহলভীর বাহিনী নির্বিচারে গুলি শুরু করে বিপ্লবী কর্মীদের উপর। অসংখ্য মানুষ হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের জন্যে ইরানের ইতিহাসে এ দিনটি কুখ্যাত Black Friday নামে আজো স্মরণ করা হয়।
সেদিনের মত শাহ বিপ্লবীদের দমন করতে সক্ষম হন। প্রাথমিক ভাবে বিপ্লব স্তিমিত হয়ে যায়। সম্পূর্ণ ইরানে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করতে শুরু করে। আয়াতুল্লাহ খোমেনী অভ্যন্তরে চূড়ান্ত বিপ্লবের প্রস্তুতি নিতে থাকেন। দীর্ঘকালের চলমান রাজতন্ত্রের অবসান করার পক্ষে, ইরানে পশ্চিমা সংস্কৃতির বিপক্ষে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের প্রভাব মুক্ত করে ইরানকে স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র তৈরির পক্ষে জনমত সৃষ্টি করে। শাহ পাহলভী মোটামুটি নিশ্চিত ছিলেন বিপ্লব আর সম্ভব নয়। খোমেনী ৩ মাস অভ্যন্তরীণ প্রচারণা চালান। খোমেনী ইরান থেকে বের হয়ে প্যারিসের এক গ্রামে অবস্থান করেছিলেন তখন। এ সময় শাহ খোমেনীকে দমন করতে, তাকে আবার গ্রেপ্তার করতে অনেক চেষ্টা চালায়, কিন্তু সক্ষম হয়নি।
১৬ জানুয়ারি ১৯৭৯। আয়াতুল্লাহ খোমেনী আবার শাহের বিরুদ্ধে এক গণ অভ্যুত্থানের ডাক দেন। ইতিহাসে এমন গণ অভ্যুত্থানের খুব একটা নজির নেই। লক্ষ লক্ষ জনতা ইরানের রাস্তায় চলে আসে।
শাহ পাহলভী তার সেনাবাহিনী দিয়ে এদের দমন করতে চেষ্টা করেন, কিন্তু সেনাবাহিনীর পক্ষে এত সাধারণ মানুষকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব ছিলো না। ১৬ জানুয়ারির মাত্র এক দিনের গণ অভ্যুত্থানে শাহ দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। শাহের বন্ধুপ্রিয় রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যও তখন শাহ পাহলভীকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে অস্বীকার করে। শাহ পাহলভী আশ্রয়ের জন্য এদেশ ওদেশ করতে থাকে। ইতালিতে আশ্রয় চাইলেও তারা ফেরত দেয় তাকে। পরবর্তীতে শাহ মিশয়ে আশ্রয় নেন। মিশরে আশ্রিত অবস্থায় মাত্র ৬০ বছর বয়সে রেজা শাহ পাহলভীর মৃত্যু হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের শাসনের পূজারী, বিলাসবহুল জীবন যাপনে অভ্যস্ত, অত্যন্ত দাম্ভিক অহংকারী শাহ পাহলভীর পতনের সাথে ইরানে আড়াই হাজার বছরের শাহ রাজ বংশের পারিবারিক রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে। আয়াতুল্লাহ খোমেনী ইরানের প্রাকৃতিক সম্পদ মার্কিন ও ব্রিটিশদের থেকে মুক্ত করে জাতীয়করণ করেন। এতে ইরান অর্থনৈতিক ভাবে আরো দ্রুত সচ্ছল হয়ে উঠে। তার নেতৃত্বে ইরান আধুনিক বিশ্বের শক্তিশালী মুসলিম দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। আয়াতুল্লাহ খোমেনী মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ধরো তুমি তোমার বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বের হলে। তো খাওয়া দাওয়া না হলে কি চলে! এক বন্ধুর হাতে টাকা দিয়ে পাঠালে সিঙ্গারা আনতে। ও সিঙ্গারা…
ভাইকিং নামটির সঙ্গে আমরা অনেকই পরিচিত। কিন্তু আমরা কি জানি ভাইকিং কারা? তাদের কাজ কি ছিল? আমেরিকার ইতিহাসে তাদের অবদান কতোটুকু? ৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১১শতক…
১. “আমেরিকার একটা সিক্রেট সোসাইটির হয়ে কাজ করা এই দেশীয় কিছু লোক এখানে তাদের গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। জামান সম্ভবত তাদের খুঁজে…
প্রতিটি বাঙালির জন্যই দেশকে ,ভাষাকে জানা আবশ্যকীয়। এরই সাথে সাথে সমসাময়িক বিশ্ব সম্পর্কেও চাই সম্যক জ্ঞান। বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক খুঁটিনাটি আলোচনা জানতে পড়ুন চর্যাপদ ।
আমাদের গবেষনাধর্মী লেখাগুলি পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন