
বুয়েট/ইন্জিনিয়ারিং ভর্তি প্রস্তুতি
একজন মানুষের আচরন , চিন্তা , দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভবিষ্যত জীবনের ইতিবাচক রূপরেখা দাঁড় করানোর সবথেকে উর্বর সময় হচ্ছে আঠারো থেকে চব্বিশ বছর বয়স । একজন ব্যাক্তি এই সময়ে যে প্রকৃতির দক্ষতা
“ই” এবং “য়” দ্বন্দ্বের সমাধান:
ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়াগুলিতে জ্ঞানীগুণী(!) লেখকসংখ্যা বেড়েছে, তারই সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিকৃত বাংলার ব্যবহার। কিছু সাধারণ ভুল প্রয়োগ যা শ্রুতিমাধুর্যতা কমিয়ে দেয়। মেজাজের ভারসম্যহীনতা তৈরী করে যেকোনো লেখা পড়তে গিয়ে।
তেমনি একটি ভুল হলো বাংলা লেখায় ‘ই” এবং “য়” এর ব্যবহার। ইদানীং “ই” এবং “য়” এর ভুল ব্যবহার যেন অতি স্বাভাবিক ব্যপার হয়ে গেছে। আবার এই ব্যাপারে যদি কাউকে ভুল ধরিয়ে দেন তবে মুখের ওপর বলে দেবে ” আরেহ ভাই ওই একই আরকী“
কিন্তু বিষয়টা যে একই নয় সেটি একটি উদাহরণ থেকেই আমরা পরিষ্কার হতে পারবো।
অনেকেই ফেসবুকে লিখেন – হায়! বন্ধুরা কেমন আছো?
অথচ বাংলা ভাষায় হায়! বলতে প্রলাপ বা হা-হুতাশ করাকে বোঝায়। হায়= Alas!
আবার অনেকে বলে থাকেন, হাই, হাই, আমার নানা মারা গেছে।
এখানে হাই বলতে কাউকে সম্বোধন করা বোঝায়।
হাই = Hi বোঝানো হয়।
শুধুমাত্র “ই” এবং “য়” এর ব্যবহার এর কারনে পুরো বাক্যের অর্থ ও ভাবগাম্ভীর্যের কী পরিবর্তন হলো তা ওপরের উদাহরণেই পরিষ্কার।
এখনো কি আপনাদের মনে হয় “হাই” এবং “হায়” এক?
উত্তর হলো কখনোই এক নয়। বরং “ই” এবং “য়” এর ব্যবহারে বাংলা ব্যাকরণে বেশকিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে। চলুন সেগুলো দেখে নেই।
“ই” এবং “য়” এর ব্যবহার শিখতে হলে আমাদেরকে পুরুষ এর প্রকারভেদ ও ক্রিয়াপদের ব্যবহার জানতে হবে।
আমরা জানি, বাক্যের যে পদ দ্বারা কোন কাজ করা বোঝায় তাদেরকে ক্রিয়া বলা হয়। যেমনঃ খাই, যাই, নাও ইত্যাদি।
এখন চলুন পুরুষ এর প্রকারভেদ দেখে নেয়া যাক।
বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ প্রধানত ৩ প্রকার। এগুলো হলো –
প্রথম / উত্তম পুরুষ (আমি, আমরা)
দ্বিতীয় / মধ্যম পুরুষ ( তুমি, তোমরা)
তৃতীয় / নাম পুরুষ (সে, তারা, তাসনীম)
উত্তম পুরুষ(First Person) এর ক্ষেত্রে “আমি/আমরা”-এর পরে ক্রিয়ার সঙ্গে ‘ই’ যুক্ত হবে।
উদাহরণ: আমি চাই, আমরা যাই, আমি খাই। আমরা ভালো নেই।
মধ্যম পুরুষ (2nd Person) এর ক্ষেত্রে “তুমি, তোমরা” এদের ক্রিয়ামূলের শেষে “ও” হয়।
উদাহরণ: তুমি খাও, তোমরা যাও।
নাম পুরুষ (3rd Person) এর ক্ষেত্রে “সে, এটা, তারা, নোমান” এদের ক্রিয়ামূলের শেষে “য়” হয়।
উদাহরণ: সে চায়, তারা খায়, করিম যায়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সম্মানার্থে নাম পুরুষ (যেমন: তিনি, তাঁরা) এবং মধ্যম পুরুষ (যেমন: আপনি, আপনারা) এদের ক্রিয়ামূলের শেষে “ন” হয়।
উদাহরণ: আপনারা যান, তিনি চান।
তাহলে আমরা শিখলাম,
-“আমরা সবায় নৌকাই ভোট চায়” এভাবে না লিখে বরং লিখবো
-” আমরা সবাই নৌকায় ভোট চাই”

একজন মানুষের আচরন , চিন্তা , দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভবিষ্যত জীবনের ইতিবাচক রূপরেখা দাঁড় করানোর সবথেকে উর্বর সময় হচ্ছে আঠারো থেকে চব্বিশ বছর বয়স । একজন ব্যাক্তি এই সময়ে যে প্রকৃতির দক্ষতা
এই বাংলার জনপদে নানান সময় ইসলামপন্থীরা নানাবিধ উপায়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়ার চেষ্টা করেছেন। তীতুমীরের বাঁশেরকেল্লা থেকে শুরু করে শাপলার জনজোয়ার। তাতে অবশ্য এই জনপদের মুসলমানদের ভাগ্যের খুব একটা পরিবর্তন

ধরো তুমি তোমার বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বের হলে। তো খাওয়া দাওয়া না হলে কি চলে! এক বন্ধুর হাতে টাকা দিয়ে পাঠালে সিঙ্গারা আনতে। ও সিঙ্গারা আনার পর জিগ্যেস করলে- ‘কত

মধুর ক্যান্টিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক এক স্মৃতির ফলক । মধুর ক্যান্টিনকে অনেকেই ছাত্ররাজনীতির আতুরনিবাস বলে থাকেন। মধুর ক্যান্টিনের ইতিহাস ঘাটতে গেলে আপাতদৃষ্টিতে আমাদের চোখে পরে মধুসূদন ও তার পরিবারের

কোপা আমেরিকা। বিশ্বের যতগুলি ফুটবল আসর বসে তার মধ্যে বিশ্বকাপ এর পরেই এর জনপ্রিয়তা বলা চলে। এইতো কিছুদিন আগেই অনুষ্ঠিত হলো ফুটবল বিশ্বকাপ।সেই আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই আবার চলে

আলোচিত কিংস পার্টির নেতারা কিংস পার্টি। রাজনীতি পাড়ায় এখন সরগরম কী-ওয়ার্ড কিংস পার্টি। কেউ পক্ষে কেউবা বিপক্ষে কথা তুলছে কিংস পার্টির।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কিংস পার্টি কী? কেন’ই বা কিংস পার্টির উত্থান
প্রতিটি বাঙালির জন্যই দেশকে ,ভাষাকে জানা আবশ্যকীয়। এরই সাথে সাথে সমসাময়িক বিশ্ব সম্পর্কেও চাই সম্যক জ্ঞান। বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক খুঁটিনাটি আলোচনা জানতে পড়ুন চর্যাপদ ।
আমাদের গবেষনাধর্মী লেখাগুলি পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন