জামায়াতে ইসলামীকে কেন ক্ষমতায় আনা দরকার?
এই বাংলার জনপদে নানান সময় ইসলামপন্থীরা নানাবিধ উপায়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়ার চেষ্টা করেছেন। তীতুমীরের বাঁশেরকেল্লা থেকে শুরু করে শাপলার
আপনারা কী জানেন ভারতে কোরান নিষিদ্ধ করার দাবী ঊঠেছিলো? চিন্তা করুন কত বড় দু: সাহস।।আল্লাহর পবিত্র কালাম নিষিদ্ধ করবে কী স্পর্ধা।
ঘটনার সূত্রপাত ১৯৮৫ সালে।
১১ মে ১৯৮৫ সালের এই দিনে আল-কুরআন অবমাননার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮ জন ভাই শাহাদাতবরণ করেন। তারপর থেকে দিনটি ঐতিহাসিকভাবে কুরআন দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
মূলত কলকাতা হাইকোর্টে একটি রিট জারি করার মধ্য দিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। যে রিট জারি করা হয়েছে তার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল কুরআনুল কারিমের দু’টি আয়াত। সূরা বাকারার ১৯১ ও সূরা তাওবার ৩১ নং আয়াত। রিটে উল্লেখ ছিল, এই আয়াত সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দেয়। তাই কুরআন বাজেয়াপ্ত করার দাবী জানানো হয় তাতে। যদিও পরবর্তীতে আদালত রিটটি খারিজ করে দেয়।
কী বলা হয়েছে সূরা বাকারার ১৯১ নং আয়াতে?
“তাদেরকে যেখানেই পাও হত্যা কর এবং তাদেরকে বের করে দাও যেখান থেকে তারা তোমাদেরকে বের করে দিয়েছে। বস্তুতঃ ফিতনা হত্যার চেয়েও গুরুতর। তোমরা মাসজিদে হারামের নিকট তাদের সাথে যুদ্ধ করো না, যে পর্যন্ত তারা তোমাদের সাথে সেখানে যুদ্ধ না করে, কিন্তু যদি তারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে, তবে তোমরাও তাদের হত্যা কর, এটাই কাফিরদের প্রতিদান।”
তাদেরকে বলতে কাদেরকে বুঝানো হয়েছে সেটা জানতে আমাদেরকে এর আগের আয়াতে ফিরে যেতে হবে। ১৯০ নং আয়াতে বলা হয়েছে, যারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে, তোমরাও তাদের সাথে আল্লাহর পথে যুদ্ধ কর এবং সীমা অতিক্রম করনা; নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমা লংঘনকারীদেরকে ভালবাসেননা।
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। স্বভাবতই এখানে ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার নিয়মনীতি বিদ্যমান। উপরোক্ত আয়াতটিতে যুদ্ধনীতি সংক্রান্ত।
অথচ হিন্দু রাষ্ট্র ভারত আল্লাহর এই বিধান কে ধর্মীয় উস্কানি বলে উল্লেখ করেছিলো। আল্লাহ আমাদের এই ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত হবার তাওফিক দান করুন।
আর কুরআনের জন্য জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদকে জান্নাতুল ফিরদাউসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। আমীন।
এই বাংলার জনপদে নানান সময় ইসলামপন্থীরা নানাবিধ উপায়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়ার চেষ্টা করেছেন। তীতুমীরের বাঁশেরকেল্লা থেকে শুরু করে শাপলার

খুব ছোটবেলাকার কথা। হঠাৎ শুনতে পেলাম শিবির নামক এক জুজু নাকি রগ কেটে নিচ্ছে সবার!! শুনে তো গায়ের রক্ত হিম

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী অঞ্চল। যেখানে প্রায় ১৩ টি উপজাতির বসতি। এছাড়াও দেশের আরো কিছু জায়গা মিলে বাংলাদেশে প্রায় ৫০ টি

কিছু সিদ্ধান্ত ইতিহাস পাল্টে দেয়। কিছু শব্দ এত শক্তিশালী হয় যে তার ভারে নুইয়ে পরে মিথ্যের প্রাচীর। কোন কোন কাব্যে

শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার কারনে একদিনে প্রায় পাঁচহাজার মানুষের জীবন দিতে হয়েছে। বিশ্বাস করবেন? এমনটাই ঘটেছিলো ১৯৮৩ সালের ১৮ ই

মধুর ক্যান্টিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক এক স্মৃতির ফলক । মধুর ক্যান্টিনকে অনেকেই ছাত্ররাজনীতির আতুরনিবাস বলে থাকেন। মধুর ক্যান্টিনের ইতিহাস
প্রতিটি বাঙালির জন্যই দেশকে ,ভাষাকে জানা আবশ্যকীয়। এরই সাথে সাথে সমসাময়িক বিশ্ব সম্পর্কেও চাই সম্যক জ্ঞান। বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক খুঁটিনাটি আলোচনা জানতে পড়ুন চর্যাপদ ।
আমাদের গবেষনাধর্মী লেখাগুলি পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন